ঢাকাTuesday, 28 July 2026 - 08:18 PM
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কৃষি ও পরিবেশ
  9. খেলাধুলা
  10. চট্টগ্রাম প্রতিদিন
  11. জবস
  12. জাতীয়
  13. জেলা সংবাদ / বিভাগীয় সংবাদ
  14. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  15. তথ্য প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ইবতেদায়ী শিক্ষকদের ক্ষোভ, ৪ মাস ধরে আটকে আছে ফাইল

নোটিশ বাংলা
July 28, 2026 6:54 pm
Link Copied!

বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা (মাদ্রাসা)-২০২৬ অনুযায়ী যোগ্যতাসম্পন্ন সংযুক্ত ইবতেদায়ি শিক্ষক, মৌলভী ও ক্বারীদের ১৩তম গ্রেড প্রদানের সংশোধনী ফাইল প্রায় ৪ মাস ধরে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা বিভাগে আটকে থাকার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সংযুক্ত ইবতেদায়ি মাদ্রাসা শিক্ষক ফোরাম। ফাইলটি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য শিক্ষামন্ত্রীর জরুরি হস্তক্ষেপও কামনা করেছে সংগঠনটির নেতারা। 

আজ মঙ্গলবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক শাহিন সিকদার এক বিবৃতিতে বলেন, ‘বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা (মাদ্রাসা)-২০২৬ অনুযায়ী নির্ধারিত যোগ্যতা সম্পন্ন ইবতেদায়ি শিক্ষক, ইবতেদায়ি মৌলভী ও ইবতেদায়ি ক্বারীরা সরকারি বিধি অনুযায়ী ১৩তম গ্রেড পাওয়ার পূর্ণ অধিকারী। যাদের ফাজিল, স্নাতক বা সমমানের ডিগ্রি রয়েছে, তারা দীর্ঘদিন ধরে এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত।’ 

বিবৃতিতে বলা হয়, দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসে বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশের পর মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেয়। এর ধারাবাহিকতায় গত ৭ এপ্রিল যোগ্য শিক্ষকদের ১৩তম গ্রেড প্রদানের লক্ষ্যে প্রস্তুতকৃত সংশোধনী ফাইল কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগে পাঠানো হয়। তবে প্রায় ৪ মাস পার হলেও ফাইলটি এখনো শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আটকে রয়েছে এবং এ বিষয়ে কোনো চূড়ান্ত আদেশ জারি হয়নি।

শিক্ষক নেতারা বলেন, বর্তমানে দেশের ৮ হাজার ২২৯টি এমপিওভুক্ত মাদ্রাসার ইবতেদায়ি শাখায় প্রায় ১২ লাখ শিক্ষার্থীর প্রাথমিক শিক্ষার দায়িত্ব পালন করছেন প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষক, মৌলভী ও ক্বারী। অথচ প্রাথমিক বিদ্যালয়ের স্নাতক ডিগ্রিধারী শিক্ষকরা ১৩তম গ্রেড পেলেও সমমানের যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও ইবতেদায়ি মাদ্রাসার শিক্ষকরা একই সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে তারা দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন।

শাহিন সিকদার বলেন, ‘শিক্ষামন্ত্রী নিজেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন, প্রশাসনিক গতিশীলতা নিশ্চিত করতে কোনো ফাইল তিন কার্যদিবসের বেশি কোনো দপ্তরে আটকে রাখা যাবে না। কিন্তু তাদের সংশোধনী ফাইলটি প্রায় চার মাস ধরে মন্ত্রণালয়ে পড়ে রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনের পর ফাইলটি অর্থ মন্ত্রণালয়ে যাবে, যেখানে আরও কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। প্রথম ধাপেই যদি এমন দীর্ঘসূত্রতা তৈরি হয়, তাহলে প্রায় ১৬ হাজার শিক্ষকের ন্যায্য অধিকার বাস্তবায়ন আরও বিলম্বিত হবে।’