ঢাকাFriday, 23 October 2026 - 07:42 AM
  1. অন্তর্বর্তীকালীন সরকার
  2. অর্থনীতি
  3. আইন আদালত
  4. আন্তর্জাতিক
  5. আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল
  6. ইসলাম
  7. এক্সক্লুসিভ
  8. কৃষি ও পরিবেশ
  9. খেলাধুলা
  10. চট্টগ্রাম প্রতিদিন
  11. জবস
  12. জাতীয়
  13. জেলা সংবাদ / বিভাগীয় সংবাদ
  14. ড. মুহাম্মদ ইউনূস
  15. তথ্য প্রযুক্তি
আজকের সর্বশেষ সবখবর

আয়নাঘরের কারিগর ডিজিএফআইয়ের সাবেক প্রধান মামুন খালেদ গ্রেপ্তার

News Room
March 26, 2026 2:48 am
Link Copied!

আয়নাঘরের হোতা ও ডিজিএফআইয়ের সাবেক মহাপরিচালক লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) শেখ মামুন খালেদকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

বুধবার রাত ১২টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবি প্রধান শফিকুল ইসলাম এ অভিযানের নেতৃত্ব দেন

ডিবি জানায়, শেখ মামুন খালেদের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। বিগত শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ডিজিএফআইকে রাজনৈতিক কাজে সম্পৃক্ত করা, জঙ্গি নাটকের প্রবক্তা, দুর্নীতি মাধ্যমে জলসিড়ি আবাসনের শতকোটি টাকা আত্মসাকের অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

শেখ হাসিনার শাসনামলে ২০১১ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তর (ডিজিএফআই) এর সাবেক মহাপরিচালক ছিলেন মামুন খালেদ।

ডিজিএফআইয়ে আয়নাঘরের হোতা বলে পরিচিতি রয়েছে। এছাড়াও সজীব ওয়াজেদ জয়ের ক্ষমতা অপব্যবহার করে হাজার কোটি টাকা অবৈধভাবে সম্পদের মালিক হয়েছেন বলেও তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে।

শুধু তাই নয়, শতাধিক সেনা কর্মকর্তাকে জঙ্গি নাম দিয়ে রাজনৈতিক কারণে চাকরিচ্যুতিসহ জেলহাজতে পাঠায় এই সাবেক কর্মকর্তা। ২০১২ সালে মেজর জিয়াকে গুম করে এই মামুন খালেদ। জানা গেছে, বেগম খালেদা জিয়াকে বাড়ি থেকে উচ্ছেদের অন্যতম হোতাও ছিলেন তিনি।

অবৈধভাবে শেয়ার ব্যবসা, ক্ষমতার অপব্যবহার, বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাৎ এবং জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগে সাবেক এই সেনা কর্মকর্তার বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশন অনুসন্ধান শুরু করে প্রায় দেড় বছর আগে, ইতোমধ্যেই ২০২৫ এর মে মাসে তার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

২৫ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের নারকীয় হত্যাকাণ্ড হতে শুরু করে নিরাপত্তা সংস্থাগুলোকে খুনে বাহিনীতে পরিণত করতে মামুন খালেদ অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন। পাশাপাশি ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থার সাথেও তার রয়েছে বিশেষ সম্পর্ক।

তার গ্রেপ্তার বর্তমান সরকারের গুরুত্বপূর্ণ একটি পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।